Sunday, 21 August 2016

অতিরিক্ত ঘাম দূর করুন


গরমে কমবেশি সবাই আমরা ঘামের সমস্যায় পড়ি। ঘাম দুর্গন্ধের পাশাপাশি শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ তৈরি করে। এর ফলে বিভিন্ন রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা একদিনে তো আর দূর হওয়া সম্ভব নয়। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে বেশি ঘামানো এবং দুর্গন্ধ এড়ানো সম্ভব।

গরমের এই সময়টাতে ঘাম দূর করার কিছু সহজ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটে, যা জেনে নেওয়া আপনার জন্য খুবই জরুরি।

১. ঢিলেঢালা পোশাক পরা

আঁটসাঁট পোশাকে শরীরে বাতাস লাগে না। যার ফলাফল অতিরিক্ত ঘাম। এই ঘমের কারণে দুর্গন্ধও যেন পিছু ছাড়ে না। তাই গরমের এই সময়টাতে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে ঘামানোর আশঙ্কা কম থাকে।

২. সুতির পোশাক পরা

সুতি গরমের সময় শরীরে সামঞ্জস্য বজায় রাখে। সুতির পোশাক পরলে শরীরে সহজে বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তাই গরমে সব সময় সুতি কাপড় পরার চেষ্টা করুন, যা আপনার ঘামের সমস্যার সমাধান করবে।

৩. ঘরোয়া প্যাক ব্যবহার করা

ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক কোনো প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক ঠান্ডা থাকে। এর ফলে মুখ ও শরীর কম ঘামায়। তাই চেষ্টা করুন নিয়মিত ঘরে তৈরি প্যাক লাগানোর। এটি ঘাম থেকে আপনাকে রক্ষা করবে এবং ত্বক সুন্দরও করবে।

৪. ডিওডরেন্ট সঠিক সময়ে ব্যবহার করুন

যাঁদের অতিরিক্ত ঘাম হয়, তাঁরা যদি ডিওডরেন্ট ব্যবহার করেন তাহলে শরীরে অনেক বাজে দুর্গন্ধ হবে। ডিওডরেন্ট ব্যবহারের কারণে তাদের শরীরে ঘামের পরিমাণও বেড়ে যাবে। তাই পারলে রাতে ডিওডরেন্ট ব্যবহার করুন। সকালে শরীরের হালকা ঘ্রাণ থাকবে এবং কম ঘামাবেন।

৫. ক্রিম বা লোশন ব্যবহার না করা

গরমে ক্রিম এবং বডি লোশন ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এগুলো শরীরে আরো বেশি ঘাম তৈরি করে। এ ধরনের প্রসাধনী যতটা কম ব্যবহার করবেন, তত কম ঘামাবেন।

৬. আইসপ্যাক বা আইস কিউব ব্যবহার করুন

গরমে দিনের যেকোনো একটা সময় আইসপ্যাক দিয়ে পুরো শরীর ঠান্ডা করে নিতে পারেন। অথবা একটি আইসকিউব নিয়ে শরীরে ঘষতে পারেন। এতে শরীর ঠান্ডা হবে এবং ঘাম কম হবে।

৭. লবণ ব্যবহার করা

লবণপানিতে গোসল করলে শরীরে ঘামের পরিমাণ কমে যায়। এমনকি শরীরের রোগ-জীবাণুও ধ্বংস হয়। তাই চেষ্টা করুন গোসলের পানিতে লবণ ব্যবহার করতে। এতে ঘাম সমস্যার সমাধান হবে খুব সহজেই।

৮. ফলের জুস খাওয়া

ফলের জুস খেলে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় থাকে, যা ঘামকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ফলের জুস রাখুন। এবং বাটার মিল্ক খাওয়ার চেষ্টা করুন। এটি শরীরে ঘামের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

Monday, 7 December 2015

গ্যাসের সমস্যা ওষুধ খেয়ে না কমিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে কমান






গ্যাসের সমস্যায় আমরা কম বেশি সকলেই ভুগি। বেশিক্ষণ কিছু না খেয়ে থাকলেই গ্যাস হয়ে যায় আমাদের পেটে। তার থেকে শুরু হয় বুকে পেটে ব্যথা, মাথা ধরা, গা বমি ভাব ইত্যাদি। অনেকের আবার গ্যাসের সমস্যা থেকে গ্যাস্টিকও হয়ে যেতে পারে। কখনও বেশি তেল জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে গ্যাস হয়ে যেতে পারে।

তাই যারা গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন তারা কোনও মশলাদার কোনও খাবার খাওয়ার আগে গ্যাসের ওষুধ খেয়ে তবেই খাবার খান। তবে সব সময় গ্যাসের ওষুধ খেয়ে খাবার খেলে কয়েক বছর বাদে আর কোনও ওষুধই শরীরে গিয়ে কাজ করতে পারে না। তাই ওষুধ খেয়ে গ্যাস ঠিক না করে প্রাকৃতিকি উপায়ে গ্যাসের সমস্যা দূর করে নেওয়াটাই সব থেকে ভালো.

আদা
গ্যাস-অম্লের জন্য আদা খুবই উপকারি। ২০০৮ সালে ইউরোপিয়ান জার্নাল অফ গ্যাসট্রোএনটেরেলজি এন্ড হেপ্যাটোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে একটি তথ্য। যে আদা খাওয়ার ফলে হজম খুব তাড়াতাড়ি হয়। পেট যদি খুব তড়াতাড়ি খালি হয়ে যায় তাহলে সেই খালি পেটে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মশলাদার অথবা ভারী কোনও খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক কুঁচি আদা খেয়ে নিলে আর কোনও সমস্যাই থাকবে না।

রসুন
রসুন গ্যাসের জন্য খুবই উপকারি। রসুন শুধুমাত্রই খাবারে অন্য স্বাদ আনে না। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে যা হজম করতে সাহায্য করে।

জিরা
যে কোনও খাবারে অল্প একটু জিরে গুঁড়ো দিলে খাবারের স্বাদ পরিবর্তনের সঙ্গে ভালো হয়ে যাবে গ্যাসের সমস্যাও।

তুলসী পাতা
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস জলে তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে গ্যাসের সমস্যা দূর করা যায়। এছড়াও এই পাতার রস খেলে খুব তাড়াতাড়ি রোগাও হওয়া যেতে পারে।

মেনথল
মেনথল গ্যাসের সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি দূর করতে পারে। চায়ের সঙ্গে মেনথল মিশিয়ে খেলে গ্যাসের পাশাপশি হজম খুব সহজে এবং শরীর বেশ সতেজ লাগে।